joys9-এর জন্ম ও বিকাশ
joys9 প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি সরল কিন্তু শক্তিশালী স্বপ্ন নিয়ে — বাংলাদেশের মানুষকে একটি বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া, যেখানে ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টের ঝামেলা নেই এবং নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপোষ নেই। দেশের বেশিরভাগ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম বিদেশি ভাষায় পরিচালিত এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট পদ্ধতিনির্ভর — এই সমস্যাটি অনুভব করে একদল তরুণ প্রযুক্তি-উদ্যোক্তা joys9 তৈরি করেছিলেন। বাংলায় সেবা, বাংলাদেশি পেমেন্ট, এবং স্থানীয় রুচির সাথে মানানসই গেম নির্বাচন — এই তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে joys9-এর সমগ্র কার্যক্রম।
শুরুতে মুষ্টিমেয় কিছু গেম ও সীমিত পেমেন্ট অপশন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, খুব দ্রুতই joys9 বাংলাদেশের গেমিং সমাজে একটি পরিচিত নাম হয়ে ওঠে। bKash ও Nagad সংযোজন ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ — কারণ বাংলাদেশের কোটি মানুষ এই দুটি মোবাইল ওয়ালেটের সাথে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এই সিদ্ধান্তটি প্রমাণ করল যে joys9 শুধু একটি গেমিং ওয়েবসাইট নয় — এটি একটি বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক ডিজিটাল পরিষেবা।
Evolution Gaming, Ezugi, Pragmatic Play, NetEnt ও Microgaming-এর মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গেম প্রদানকারীদের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে joys9 তার প্ল্যাটফর্মে ৩,০০০-এরও বেশি গেম যুক্ত করেছে। লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক, বাকারা, রুলেট থেকে শুরু করে ক্রিকেট বেটিং, ভার্চুয়াল স্পোর্টস, হাই-লো এবং শত শত স্লট গেম — joys9-এর গেম লবি আজ একটি সম্পূর্ণ বিনোদন জগৎ। বিশেষ করে BPL ও IPL মৌসুমে ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশিরা joys9-এর স্পোর্টস বেটিং সেকশনে ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন।
joys9 সবসময় বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের উৎস, দুশ্চিন্তার নয়। এই কারণেই প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিং টুলস সংযুক্ত রয়েছে — ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ড। joys9 দৃঢ়ভাবে ১৮+ বয়স নীতি অনুসরণ করে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়।
আজ joys9 বাংলাদেশের পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্যের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্ম। ঢাকার গুলশান থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট, সিলেটের সুরমা পাড় থেকে খুলনার রূপসা তীর — বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মানুষ joys9-এর সাথে সংযুক্ত। এই বিশ্বাস ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি নিয়েই আমরা প্রতিদিন কাজ করছি।